Naya Diganta · 28 June 2026
চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা - Daily Naya Diganta

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন গণমাধ্যমে প্রকাশিত চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে সংবাদকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, আইন অনুযায়ী বিদেশে চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করে এবং সব ব্যয়ের রসিদ ও নথি তিনি যথাযথভাবে জমা দিয়েছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত নিজের চিকিৎসা ব্যয়-সংক্রান্ত খবরের তীব্র নিন্দা ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক বিষয়গুলোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফ্রেমিং করে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।
আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া পোস্টে সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা এই ব্যাখ্যা দেন।
ফেসবুকে তিনি লেখেন, আমি উপদেষ্টা হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে এবং নির্লোভ ও নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। সরকারি কোনো অর্থ আত্মসাৎ কিংবা তসরুপ করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছি। আইনমতে, যতটুকু আমার প্রাপ্য তাও গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি। কিন্তু কিছু মিডিয়া বৈধ, নিয়মতান্ত্রিক ও আইনগত বিষয়গুলোকে এমনভাবে ফ্রেমিং করছে যেন জনমানসের মনে শঙ্কা ও সন্দেহ তৈরি হয়। আমি এসব সংবাদ ও মিডিয়া ফ্রেমিংয়ের তীব্র নিন্দা জানাই। আল্লাহ তা’য়ালা সবাইকে সহি বুঝ দান করুন।
তিনি লেখেন, গতকাল কয়েকটা অনলাইন মিডিয়া পোর্টালে আমার উপদেষ্টার দায়িত্বে থাকাবস্থায় চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উপর্যুক্ত সংবাদের মিডিয়া ফ্রেমিং নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। ফলে আমার যথাযথ ব্যাখ্যা প্রদান জরুরি বলে মনে করি।
১। চিকিৎসা ব্যয়: বাংলাদেশে মন্ত্রীদের চিকিৎসা ব্যয়ের বিষয়টি ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট, ১৯৭৩’ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই আইনের আওতায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা দেশ বা বিদেশে যে কোনো স্থানে চিকিৎসার সম্পূর্ণ খরচ সরকারি কোষাগার থেকে পেয়ে থাকেন।
২। বিদেশে চিকিৎসার নিয়ম: মন্ত্রীদের বিদেশে চিকিৎসার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া ও নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশ: কোনো মন্ত্রী যদি বিদেশে চিকিৎসা নিতে চান, তবে প্রথমে দেশের একটি উপযুক্ত মেডিক্যাল বোর্ডগঠন করা হয়। সেই বোর্ডের চিকিৎসকেরা যদি প্রত্যয়ন করেন যে সংশ্লিষ্ট রোগের প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত চিকিৎসা দেশে সম্ভব নয়, কেবল তখনই বিদেশে চিকিৎসার প্রক্রিয়া শুরু করা যায়।
First published in Naya Diganta. View the original page
