Dr. A F M Khalid HossainA F M Khalid Hossain

bssnews.net · 24 August 2025

বেদখলে থাকা ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার করে ভালো কাজে ব্যবহার করতে হবে: ধর্ম উপদেষ্টা - Bangladesh Sangbad Sangstha (BSS)

চট্টগ্রাম, ২৪ আগস্ট, ২০২৫ (বাসস) : অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, সারাদেশে প্রায় ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪০০ একর ওয়াক্ফ সম্পত্তি বেদখলে রয়েছে। এগুলো উদ্ধার করে সমাজের ভাল কাজে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ পাহাড়ে মসজিদ নির্মাণের বিষয়টি গুজব। দেশের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট করতে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

আজ রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে বেদখল ওয়াক্ফ সম্পত্তি উদ্ধার নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় সভার আগে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

তিনি বলেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। দেশের সর্বত্র অবস্থিত ওয়াক্ফ সম্পত্তি সুরক্ষা, সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য ওয়াক্ফ প্রশাসন বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সম্প্রতি নানা অনিয়ম ও দখলদারিত্ব রোধে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য সরকার নানামুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে- ওয়াক্ফ সম্পত্তির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন, ভাড়া ও ইজারা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ, অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং আয় বৃদ্ধি করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মসজিদ-মাদ্রাসা উন্নয়নসহ সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যয় নিশ্চিত করা। ওয়াক্ফ সম্পত্তি মুসলিম সমাজের আধ্যাত্মিক, শিক্ষামূলক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের সামাজিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

তিনি আরও বলেন, সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে কোনো প্রকার মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি এবং এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সীতাকুণ্ড প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, চন্দ্রনাথ পাহাড় দেশের একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই এ পাহাড়ে নতুন করে কোনো মসজিদ নির্মাণের প্রশ্নই ওঠে না।

ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, সরকার ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, সরকার খরচ কমাতে জাহাজে করে হজ্বযাত্রীদের পরিবহনের সিদ্ধান্ত নিলেও বড় কোনো জাহাজ কোম্পানি এগিয়ে না আসায় এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি। জাহাজে করে হজ্বযাত্রীদের আনা নেওয়া করা গেলে ৪০ শতাংশ খরচ কমে যাবে।

First published in bssnews.net. View the original page